আল কাউলুল লাবীব ফী ঈমানি আবাইন্নাবিয়্যিল হাবীব
- লেখক
- মুহাম্মাদ আইনুল হুদা
- ভাষা
- বাংলা
- বিষয়
- সীরাত
এই বইয়ের লেখা এখনও যুক্ত হয়নি; পিডিএফ আকারে পড়ুন।
(প্রিয় নবী ﷺএর পিতা-মাতা ও পূর্বপুরুষদের ঈমান প্রমাণে প্রাজ্ঞ বক্তব্য)
আল্লাহই অধিক জানেন, কোথায় তিনি তাঁর রিসালাত স্থাপন করবেন।
আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে তাঁর পিতা আবদুল্লাহ ও মাতা আমিনা পর্যন্ত তাঁরা সকলেই মুসলিম ছিলেন; সৃষ্টিকর্তা ও রিযিকদাতার প্রতি অনুগত ছিলেন এবং সত্য উপাস্যের প্রতি ঈমানদার ছিলেন।
কুরআনের আয়াত, হাদীস, ইজমা, কিয়াস, ইতিহাস এবং ইমামগণের বক্তব্যের সাক্ষ্য-প্রমাণের আলোকে আমরা সাধারণভাবে এ বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করব। বিশেষভাবে আমরা প্রমাণ করব যে, আমাদের সাইয়িদ ইবরাহীম আলাইহিস সালামের যিনি পিতা—এবং বংশসূত্রে যিনি নবী ﷺ-এর পূর্বপুরুষদের একজন—তিনি কাফির বা মুশরিক ছিলেন না।
আমরা আলোচনা শুরু করব নবী ﷺ-এর পিতা-মাতাকে দিয়ে এবং শেষ করব আমাদের সাইয়িদ ইবরাহীম আলাইহিস সালামের পিতা ও নবী ﷺ-এর আদনান পর্যন্ত পূর্বপুরুষদের আলোচনা দিয়ে। তাঁর প্রতি এবং আমাদের নবীর প্রতি আল্লাহর দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
নবী ﷺ-এর পিতাকে “কাফির” বলা কিংবা তাঁর মাতাকে “জাহান্নামী” বলা কবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। কারণ এতে নবী ﷺ-কে কষ্ট দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি নবী ﷺ-কে কষ্ট দেয়, কুরআন, সুন্নাহ এবং উম্মতের আলেমগণের ঐকমত্য অনুযায়ী সে দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশপ্ত।
আর জেনে রাখুন, পিতা-মাতাকে পুনর্জীবিত করে তাঁদের ঈমান গ্রহণের যে মত বা পদ্ধতি রয়েছে, তাঁদের জীবনের কোনো এক পর্যায়ে ঈমানদার ছিলেন—এটি প্রমাণ করার জন্য আমাদের মূলত তার কোনো প্রয়োজনই নেই।
আল্লাহই অধিক জানেন, কোথায় তিনি তাঁর রিসালাত স্থাপন করবেন।
আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে তাঁর পিতা আবদুল্লাহ ও মাতা আমিনা পর্যন্ত তাঁরা সকলেই মুসলিম ছিলেন; সৃষ্টিকর্তা ও রিযিকদাতার প্রতি অনুগত ছিলেন এবং সত্য উপাস্যের প্রতি ঈমানদার ছিলেন।
কুরআনের আয়াত, হাদীস, ইজমা, কিয়াস, ইতিহাস এবং ইমামগণের বক্তব্যের সাক্ষ্য-প্রমাণের আলোকে আমরা সাধারণভাবে এ বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করব। বিশেষভাবে আমরা প্রমাণ করব যে, আমাদের সাইয়িদ ইবরাহীম আলাইহিস সালামের যিনি পিতা—এবং বংশসূত্রে যিনি নবী ﷺ-এর পূর্বপুরুষদের একজন—তিনি কাফির বা মুশরিক ছিলেন না।
আমরা আলোচনা শুরু করব নবী ﷺ-এর পিতা-মাতাকে দিয়ে এবং শেষ করব আমাদের সাইয়িদ ইবরাহীম আলাইহিস সালামের পিতা ও নবী ﷺ-এর আদনান পর্যন্ত পূর্বপুরুষদের আলোচনা দিয়ে। তাঁর প্রতি এবং আমাদের নবীর প্রতি আল্লাহর দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
নবী ﷺ-এর পিতাকে “কাফির” বলা কিংবা তাঁর মাতাকে “জাহান্নামী” বলা কবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। কারণ এতে নবী ﷺ-কে কষ্ট দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি নবী ﷺ-কে কষ্ট দেয়, কুরআন, সুন্নাহ এবং উম্মতের আলেমগণের ঐকমত্য অনুযায়ী সে দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশপ্ত।
আর জেনে রাখুন, পিতা-মাতাকে পুনর্জীবিত করে তাঁদের ঈমান গ্রহণের যে মত বা পদ্ধতি রয়েছে, তাঁদের জীবনের কোনো এক পর্যায়ে ঈমানদার ছিলেন—এটি প্রমাণ করার জন্য আমাদের মূলত তার কোনো প্রয়োজনই নেই।
পাঠকের মন্তব্য (০)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
ছবিসহ ও লিংকসহ মন্তব্য অ্যাডমিন দেখে প্রকাশ করেন।
একই লেখকের আরও বই
সবগুলো →একই বিষয়ের বই
সবগুলো →
مصادر تلقي السيرة النبوية ⌕ লেখা
مصادر تلقي السيرة النبوية
السيرة الحلبية = إنسان العيون في سيرة ال ⌕ লেখা
السيرة الحلبية = إنسان العيون في سيرة الأمين المأمون
مختصر سيرة الرسول صلى الله عليه وسلم ⌕ লেখা
مختصر سيرة الرسول صلى الله عليه وسلم
محمد صلى الله عليه وسلم ⌕ লেখা
محمد صلى الله عليه وسلم
الفخر المتوالي فيمن انتسب للنبي صلى الله ⌕ লেখা
الفخر المتوالي فيمن انتسب للنبي صلى الله عليه وسلم من الخدم والموالي
كتاب سيرة النبي صلى الله عليه وسلم ⌕ লেখা
كتاب سيرة النبي صلى الله عليه وسلم