আল কাউলুল হাসিম - রওজায়ে রাসূল ﷺ যিয়ারত ঃ সফরের বৈধতা ও শায়খ ইবনু তাইমিয়ার পাঁচ আপত্তির চূড়ান্ত জবাব
- লেখক
- মুহাম্মাদ আইনুল হুদা
- ভাষা
- বাংলা
- বিষয়
- তাসাউফ
এই বইয়ের লেখা এখনও যুক্ত হয়নি; পিডিএফ আকারে পড়ুন।
শায়খ ইবনু তাইমিয়ার পাঁচ পয়েন্ট নিম্নরূপঃ
১. কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে সফর করা গুনাহ।
২. এ ধরনের সফরে সালাত কসর করা জায়েয নয়।
৩. নবী ﷺ থেকে কোনো নির্দিষ্ট কবর যিয়ারত সম্পর্কে একটি সহীহ হাদীসও প্রমাণিত নয়।
৪. নবী ﷺ-এর কবর যিয়ারত সম্পর্কে বর্ণিত সকল হাদীসই মিথ্যা ও জাল।
৫. এই তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোথাও সফর করা শরীয়তসম্মত নয়—এ বিষয়ে আহলে ইলমের ঐকমত্য রয়েছে।
শায়খ ইবন তায়মিয়ার উপরোক্ত পয়েন্টগুলো যে ভুল এবং নিতান্তই কল্পনাপ্রসূত, তা আমরা এ গ্রন্থে সবিস্তারে উল্লেখ করেছি। যুগে যুগে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অসংখ্য ইমাম তাঁর এসব কথার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। এ গ্রন্থে আমরা কুরআন ও হাদিস থেকে দলীল প্রদানের পাশাপাশি সেসকল ইমামগণের বক্তব্যও তুলে ধরেছি। প্রসঙ্গত এখানে ইমাম মুল্লা আলী কারী ও ইমাম কাস্তাল্লানীর দুটি বক্তব্য উল্লেখ করছি, যা আমার মূল বইয়ে নেই। তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমে পাঠকগণ উম্মাহর অন্যান্য বরেণ্য ইমামদের সবার অবস্থান পরিষ্কার বুঝতে পারবেন।
ইমাম মুল্লা আলী কারী বলেন,
وَقَدْ فَرَّطَ ابْنُ تَيْمِيَّةَ مِنَ الْحَنَابِلَةِ، حَيْثُ حَرَّمَ السَّفَرَ لِزِيَارَةِ النَّبِيِّ ﷺ، كَمَا أَفْرَطَ غَيْرُهُ حَيْثُ قَالَ: كَوْنُ الزِّيَارَةِ قُرْبَةً مَعْلُومٌ مِنَ الدِّينِ بِالضَّرُورَةِ، وَجَاحِدُهُ مَحْكُومٌ عَلَيْهِ بِالْكُفْرِ.
وَلَعَلَّ الثَّانِيَ أَقْرَبُ إِلَى الصَّوَابِ؛ لِأَنَّ تَحْرِيمَ مَا أَجْمَعَ الْعُلَمَاءُ عَلَى اسْتِحْبَابِهِ يَكُونُ كُفْرًا؛ لِأَنَّهُ فَوْقَ تَحْرِيمِ الْمُبَاحِ الْمُتَّفَقِ عَلَيْهِ فِي هَذَا الْبَابِ.
نَعَمْ، يُمْكِنُ حَمْلُ كَلَامِ مَنْ حَرَّمَ أَوْ كَرِهَ عَلَى صُورَةٍ خَاصَّةٍ مِنَ الزِّيَارَةِ؛ مِنَ الِاجْتِمَاعِ فِي وَقْتٍ خَاصٍّ عَلَى هَيْئَةٍ مُنْكَرَةٍ، أَوْ صِفَةٍ مَكْرُوهَةٍ مِنِ اجْتِمَاعِ الرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ فِي وَقْتٍ وَاحِدٍ، لِمَا فِيهِ مِنِ اتِّخَاذِ قَبْرِهِ عِيدًا، وَالْمُوجِبِ لِمَا أُورِدَ فِيهِ وَعِيدًا.
“হাম্বলী মাযহাবের ইবন তাইমিয়্যাহ এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি করেছেন; কারণ তিনি নবী ﷺ-এর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে সফর করাকে হারাম বলেছেন।
অন্যদিকে আরেকদলও বাড়াবাড়ি করেছে; তারা বলেছে, যিয়ারত যে নৈকট্য অর্জনের একটি মাধ্যম (কুরবা), তা দ্বীনের এমন একটি বিষয় যা সর্বসাধারণের নিকট স্বতঃসিদ্ধভাবে জানা, আর যে ব্যক্তি তা অস্বীকার করবে, তার ওপর কুফরের হুকুম প্রযোজ্য হবে। তবে সম্ভবত দ্বিতীয় মতটিই অধিকতর সঠিক। কারণ যে বিষয়কে সকল আলেম সর্বসম্মতিক্রমে মুস্তাহাব বলেছেন, তাকে হারাম বলা কুফর হতে পারে; কেননা এটি এমন একটি বিষয়ে নিষেধ আরোপ, যা এ ক্ষেত্রে অন্তত সর্বসম্মতভাবে বৈধ ও অনুমোদিত বলে স্বীকৃত।
হ্যাঁ, যারা যিয়ারতকে হারাম বা মাকরূহ বলেছেন, তাদের বক্তব্যকে যিয়ারতের কোনো বিশেষ অবস্থার ওপর গ্রহন করা যেতে পারে; যেমন—
নির্দিষ্ট সময়ে কোনো অশরয়ী পদ্ধতিতে সমবেত হওয়া, অথবা পুরুষ ও নারীর একত্রে এমনভাবে সমাবেশ ঘটানো, যা শরীয়তের দৃষ্টিতে অপছন্দনীয়। কারণ এতে নবী ﷺ-এর কবরকে উৎসবস্থলে পরিণত করার আশঙ্কা থাকে, আর এ কারণেই এ বিষয়ে সতর্কবাণী (ওয়াঈদ) এসেছে।”
ইমাম কাস্তাল্লানী বলেন,
اِعْلَمْ أَنَّ زِيَارَةَ قَبْرِهِ الشَّرِيفِ مِنْ أَعْظَمِ الْقُرُبَاتِ، وَأَرْجَى الطَّاعَاتِ، وَالسَّبِيلِ إِلَى أَعْلَى الدَّرَجَاتِ، وَمَنْ اعْتَقَدَ غَيْرَ هَذَا فَقَدِ انْخَلَعَ مِنْ رِبْقَةِ الْإِسْلَامِ، وَخَالَفَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَجَمَاعَةَ الْعُلَمَاءِ الْأَعْلَامِ.
“জেনে রাখো, তাঁর পবিত্র কবর যিয়ারত করা সর্বশ্রেষ্ঠ নৈকট্য অর্জনের আমলসমূহের অন্যতম, সর্বাধিক আশা জাগানিয়া ইবাদতসমূহের একটি এবং সর্বোচ্চ মর্যাদা লাভের অন্যতম পথ। আর যে ব্যক্তি এর বিপরীত বিশ্বাস পোষণ করে, সে ইসলামের বন্ধন থেকে বেরিয়ে গেছে এবং আল্লাহ, তাঁর রাসূল ﷺ ও বিশিষ্ট আলেমসমাজের বিরোধিতা করেছে।
শাইখ ইবনে তাইমিয়্যা নিজেই সফর হারাম হোক বা হালাল হোক উভয় সফরে সালাত কসর করার মাসআলায় বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সকল প্রকার সফরেই কসর ও রোযা ভঙ্গকে বৈধ বলে, তার পক্ষেই দলিল শক্তিশালী। এ মতই সঠিক। কারণ কুরআন ও সুন্নাহ সাধারণভাবে ‘সফর’-এর কথাই উল্লেখ করেছে।”
তিনি আরও বলেন:
“নবী ﷺ থেকে কখনোই বর্ণিত হয়নি যে তিনি কোনো এক বিশেষ সফরকে অন্য সফর থেকে পৃথক করেছেন; অথচ তিনি জানতেন সফর কখনো হারাম হয়, কখনো বৈধ হয়। যদি এ বিধান কোনো বিশেষ সফরের সাথে নির্দিষ্ট হতো, তবে তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা ওয়াজিব ছিল। আর যদি তিনি তা বর্ণনা করতেন, উম্মত অবশ্যই তা সংরক্ষণ ও বর্ণনা করত। আমি এ বিষয়ে সাহাবীগণের কাছ থেকেও কিছু জানি না।”
তিনি আরও বলেন:
“কুরআন ও সুন্নাহর কোথাও সফরকে কোনো বিশেষ প্রকারের সাথে সীমাবদ্ধ করা হয়নি। তাহলে কীভাবে এমন হতে পারে যে বিধানটি সফরের এক প্রকারের সাথে সংশ্লিষ্ট হবে অথচ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ তা স্পষ্ট করবেন না? বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বর্ণনা উভয় প্রকার সফরকেই অন্তর্ভুক্ত করে।”
আমরা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআত—উম্মতের বৃহত্তম জামাআত—নবী ﷺ-এর রওজা যিয়ারতের উদ্দেশ্যে সফর সম্পর্কে সেই কথাই বলি, যা তিনি নিজেই হারাম ও বৈধ সফরে কসর সালাত প্রসঙ্গে বলেছেন। যদি তাঁর ঐ মতই (পাঁচ পয়েন্ট) দ্বীনের অংশ হতো, তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ তা অবশ্যই স্পষ্টভাবে বর্ণনা করতেন।
১. কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে সফর করা গুনাহ।
২. এ ধরনের সফরে সালাত কসর করা জায়েয নয়।
৩. নবী ﷺ থেকে কোনো নির্দিষ্ট কবর যিয়ারত সম্পর্কে একটি সহীহ হাদীসও প্রমাণিত নয়।
৪. নবী ﷺ-এর কবর যিয়ারত সম্পর্কে বর্ণিত সকল হাদীসই মিথ্যা ও জাল।
৫. এই তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোথাও সফর করা শরীয়তসম্মত নয়—এ বিষয়ে আহলে ইলমের ঐকমত্য রয়েছে।
শায়খ ইবন তায়মিয়ার উপরোক্ত পয়েন্টগুলো যে ভুল এবং নিতান্তই কল্পনাপ্রসূত, তা আমরা এ গ্রন্থে সবিস্তারে উল্লেখ করেছি। যুগে যুগে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অসংখ্য ইমাম তাঁর এসব কথার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। এ গ্রন্থে আমরা কুরআন ও হাদিস থেকে দলীল প্রদানের পাশাপাশি সেসকল ইমামগণের বক্তব্যও তুলে ধরেছি। প্রসঙ্গত এখানে ইমাম মুল্লা আলী কারী ও ইমাম কাস্তাল্লানীর দুটি বক্তব্য উল্লেখ করছি, যা আমার মূল বইয়ে নেই। তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমে পাঠকগণ উম্মাহর অন্যান্য বরেণ্য ইমামদের সবার অবস্থান পরিষ্কার বুঝতে পারবেন।
ইমাম মুল্লা আলী কারী বলেন,
وَقَدْ فَرَّطَ ابْنُ تَيْمِيَّةَ مِنَ الْحَنَابِلَةِ، حَيْثُ حَرَّمَ السَّفَرَ لِزِيَارَةِ النَّبِيِّ ﷺ، كَمَا أَفْرَطَ غَيْرُهُ حَيْثُ قَالَ: كَوْنُ الزِّيَارَةِ قُرْبَةً مَعْلُومٌ مِنَ الدِّينِ بِالضَّرُورَةِ، وَجَاحِدُهُ مَحْكُومٌ عَلَيْهِ بِالْكُفْرِ.
وَلَعَلَّ الثَّانِيَ أَقْرَبُ إِلَى الصَّوَابِ؛ لِأَنَّ تَحْرِيمَ مَا أَجْمَعَ الْعُلَمَاءُ عَلَى اسْتِحْبَابِهِ يَكُونُ كُفْرًا؛ لِأَنَّهُ فَوْقَ تَحْرِيمِ الْمُبَاحِ الْمُتَّفَقِ عَلَيْهِ فِي هَذَا الْبَابِ.
نَعَمْ، يُمْكِنُ حَمْلُ كَلَامِ مَنْ حَرَّمَ أَوْ كَرِهَ عَلَى صُورَةٍ خَاصَّةٍ مِنَ الزِّيَارَةِ؛ مِنَ الِاجْتِمَاعِ فِي وَقْتٍ خَاصٍّ عَلَى هَيْئَةٍ مُنْكَرَةٍ، أَوْ صِفَةٍ مَكْرُوهَةٍ مِنِ اجْتِمَاعِ الرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ فِي وَقْتٍ وَاحِدٍ، لِمَا فِيهِ مِنِ اتِّخَاذِ قَبْرِهِ عِيدًا، وَالْمُوجِبِ لِمَا أُورِدَ فِيهِ وَعِيدًا.
“হাম্বলী মাযহাবের ইবন তাইমিয়্যাহ এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি করেছেন; কারণ তিনি নবী ﷺ-এর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে সফর করাকে হারাম বলেছেন।
অন্যদিকে আরেকদলও বাড়াবাড়ি করেছে; তারা বলেছে, যিয়ারত যে নৈকট্য অর্জনের একটি মাধ্যম (কুরবা), তা দ্বীনের এমন একটি বিষয় যা সর্বসাধারণের নিকট স্বতঃসিদ্ধভাবে জানা, আর যে ব্যক্তি তা অস্বীকার করবে, তার ওপর কুফরের হুকুম প্রযোজ্য হবে। তবে সম্ভবত দ্বিতীয় মতটিই অধিকতর সঠিক। কারণ যে বিষয়কে সকল আলেম সর্বসম্মতিক্রমে মুস্তাহাব বলেছেন, তাকে হারাম বলা কুফর হতে পারে; কেননা এটি এমন একটি বিষয়ে নিষেধ আরোপ, যা এ ক্ষেত্রে অন্তত সর্বসম্মতভাবে বৈধ ও অনুমোদিত বলে স্বীকৃত।
হ্যাঁ, যারা যিয়ারতকে হারাম বা মাকরূহ বলেছেন, তাদের বক্তব্যকে যিয়ারতের কোনো বিশেষ অবস্থার ওপর গ্রহন করা যেতে পারে; যেমন—
নির্দিষ্ট সময়ে কোনো অশরয়ী পদ্ধতিতে সমবেত হওয়া, অথবা পুরুষ ও নারীর একত্রে এমনভাবে সমাবেশ ঘটানো, যা শরীয়তের দৃষ্টিতে অপছন্দনীয়। কারণ এতে নবী ﷺ-এর কবরকে উৎসবস্থলে পরিণত করার আশঙ্কা থাকে, আর এ কারণেই এ বিষয়ে সতর্কবাণী (ওয়াঈদ) এসেছে।”
ইমাম কাস্তাল্লানী বলেন,
اِعْلَمْ أَنَّ زِيَارَةَ قَبْرِهِ الشَّرِيفِ مِنْ أَعْظَمِ الْقُرُبَاتِ، وَأَرْجَى الطَّاعَاتِ، وَالسَّبِيلِ إِلَى أَعْلَى الدَّرَجَاتِ، وَمَنْ اعْتَقَدَ غَيْرَ هَذَا فَقَدِ انْخَلَعَ مِنْ رِبْقَةِ الْإِسْلَامِ، وَخَالَفَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَجَمَاعَةَ الْعُلَمَاءِ الْأَعْلَامِ.
“জেনে রাখো, তাঁর পবিত্র কবর যিয়ারত করা সর্বশ্রেষ্ঠ নৈকট্য অর্জনের আমলসমূহের অন্যতম, সর্বাধিক আশা জাগানিয়া ইবাদতসমূহের একটি এবং সর্বোচ্চ মর্যাদা লাভের অন্যতম পথ। আর যে ব্যক্তি এর বিপরীত বিশ্বাস পোষণ করে, সে ইসলামের বন্ধন থেকে বেরিয়ে গেছে এবং আল্লাহ, তাঁর রাসূল ﷺ ও বিশিষ্ট আলেমসমাজের বিরোধিতা করেছে।
শাইখ ইবনে তাইমিয়্যা নিজেই সফর হারাম হোক বা হালাল হোক উভয় সফরে সালাত কসর করার মাসআলায় বলেছেন:
“যে ব্যক্তি সকল প্রকার সফরেই কসর ও রোযা ভঙ্গকে বৈধ বলে, তার পক্ষেই দলিল শক্তিশালী। এ মতই সঠিক। কারণ কুরআন ও সুন্নাহ সাধারণভাবে ‘সফর’-এর কথাই উল্লেখ করেছে।”
তিনি আরও বলেন:
“নবী ﷺ থেকে কখনোই বর্ণিত হয়নি যে তিনি কোনো এক বিশেষ সফরকে অন্য সফর থেকে পৃথক করেছেন; অথচ তিনি জানতেন সফর কখনো হারাম হয়, কখনো বৈধ হয়। যদি এ বিধান কোনো বিশেষ সফরের সাথে নির্দিষ্ট হতো, তবে তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা ওয়াজিব ছিল। আর যদি তিনি তা বর্ণনা করতেন, উম্মত অবশ্যই তা সংরক্ষণ ও বর্ণনা করত। আমি এ বিষয়ে সাহাবীগণের কাছ থেকেও কিছু জানি না।”
তিনি আরও বলেন:
“কুরআন ও সুন্নাহর কোথাও সফরকে কোনো বিশেষ প্রকারের সাথে সীমাবদ্ধ করা হয়নি। তাহলে কীভাবে এমন হতে পারে যে বিধানটি সফরের এক প্রকারের সাথে সংশ্লিষ্ট হবে অথচ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ তা স্পষ্ট করবেন না? বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বর্ণনা উভয় প্রকার সফরকেই অন্তর্ভুক্ত করে।”
আমরা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআত—উম্মতের বৃহত্তম জামাআত—নবী ﷺ-এর রওজা যিয়ারতের উদ্দেশ্যে সফর সম্পর্কে সেই কথাই বলি, যা তিনি নিজেই হারাম ও বৈধ সফরে কসর সালাত প্রসঙ্গে বলেছেন। যদি তাঁর ঐ মতই (পাঁচ পয়েন্ট) দ্বীনের অংশ হতো, তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ তা অবশ্যই স্পষ্টভাবে বর্ণনা করতেন।
পাঠকের মন্তব্য (০)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
ছবিসহ ও লিংকসহ মন্তব্য অ্যাডমিন দেখে প্রকাশ করেন।
একই বিষয়ের বই
সবগুলো →
العزلة ⌕ লেখা
العزلة
حسن التنبه لما ورد في التشبه «وهو كتاب ف ⌕ লেখা
حسن التنبه لما ورد في التشبه «وهو كتاب فريد في بابه يشتمل على بيان ما يتشبه به المسلم وما لا يتشبه به»
الصبر مطية النجاح قصيدة في الحكم ⌕ লেখা
الصبر مطية النجاح قصيدة في الحكم
سلوة الأحزان للاجتناب عن مجالسة الأحداث ⌕ লেখা
سلوة الأحزان للاجتناب عن مجالسة الأحداث والنسوان
طريق الهجرتين وباب السعادتين - ط عطاءات ⌕ লেখা
طريق الهجرتين وباب السعادتين - ط عطاءات العلم
كشف الكربة في وصف أهل الغربة (وهو مطبوع ⌕ লেখা
كشف الكربة في وصف أهل الغربة (وهو مطبوع ضمن مجموع رسائل الحافظ ابن رجب الحنبلي)